05/09/2025
🕋 হজ্জ-২০২৬ চুড়ান্ত নিবন্ধনে ধীর গতি।
যারা ২০২৬ সনে হজ্জ পালন করবেন তারা দ্রুত আপনার বিশ্বস্ত এজেন্সির মাধ্যমে নিবন্ধন সম্পন্ন করুন।
♦️হজ্জ আপনার উপর ফরজ হইলে কোন
অজুহাতে বিলম্ব করা উচিৎ নয়।
🔶ধরুন আপনার এবছর হজে যাওয়ার সামর্থ্য আছে, কোন কারনে ব্যবসায়ীক লস বা বৈশ্বিক কারনে অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হবার দরুন আপনি আগামীতে হজ্জ আদায় করতে পারলেন না। তখন আপনার হজ্জ অনাদায় থেকে গেলো এর জন্য আপনাকে ফরজ আদায় না করার অপরাধে কঠিন শাস্তি ভোগ করতে হবে।।
♦️ইসলামী শরীয়তে হজ্জ অনাদায় থাকলে কি
হবে...
হজ্জ ইসলামের পাঁচটি মূল স্তম্ভের অন্যতম। এটি শুধু সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য ফরয করা হয়েছে। শরীয়তের দৃষ্টিতে হজ্জের ফরয আদায় না করলে তার পরিণতি অত্যন্ত গুরুতর। নিচে কোরআন ও সহীহ হাদীসের দলীলসহ বিস্তারিত আলোচনা:
📖 কোরআনের দলীল
(১) হজ্জ ফরয হওয়ার দলীল
> وَلِلَّهِ عَلَى النَّاسِ حِجُّ الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلًا ۚ وَمَنْ كَفَرَ فَإِنَّ اللَّهَ غَنِيٌّ عَنِ الْعَالَمِينَ
(সূরা আল ইমরান ৩:৯৭)
বাংলা অনুবাদ:
"মানুষের ওপর আল্লাহর হক হচ্ছে—যে কেউ কাবা গৃহ পর্যন্ত যাওয়ার সামর্থ্য রাখে, সে যেন সেখানে হজ্জ করে। আর যে অস্বীকার করে, তবে আল্লাহ দুনিয়াবাসীর মুখাপেক্ষী নন।"
🔎 এখানে "ومن كفر" অর্থাৎ "যে অস্বীকার করল" দ্বারা বোঝানো হয়েছে—হজ্জ ফরয হয়েও যে অবহেলা করে বা অস্বীকার করে, সে কাফেরের পর্যায়ে চলে যায়।
📜 হাদীসের দলীল
(১) হজ্জ না করলে মৃত্যু অমুসলিমের মতো
রাসূল ﷺ বলেছেন:
"যে ব্যক্তি হজ্জ করতে সক্ষম হয়েও হজ্জ করল না, তার মৃত্যু যিহুদী বা নাসারার মতো হবে—তা তার জন্য কোনো পার্থক্য করবে না।"
(মুসনাদে আহমাদ, হাদীস: ৮৬০৩; তিরমিযী, হাদীস: ৮১২; সহীহ হিসেবে শাইখ আলবানী প্রমাণ করেছেন)
(২) ইসলামের স্তম্ভ অস্বীকার করলে মারাত্মক
গোনাহ
"ইসলাম পাঁচটি বিষয়ের উপর প্রতিষ্ঠিত:
১.আল্লাহ ছাড়া কোনো ইলাহ নেই এবং মুহাম্মাদ ﷺ আল্লাহর রাসূল—এ সাক্ষ্য দেওয়া, ২. সালাত কায়েম করা,
৩. যাকাত প্রদান করা,
৪. রমাযানের রোযা রাখা,
৫. হজ্জ করা।" (বুখারী: ৮; মুসলিম: ১৬)
➡ অর্থাৎ, সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ্জ ত্যাগ করা ইসলামের একটি স্তম্ভ ধ্বংস করার শামিল।
♦️ অবহেলা করার জন্য সতর্কবাণী
ইবনে উমর (রা.) বলেছেন:
"যে ব্যক্তি হজ্জ করার সামর্থ্য রাখে, তবুও হজ্জ করে না, তার মৃত্যু ইয়াহুদী বা খ্রিস্টানদের মতো হতে পারে।" (তিরমিযী, হাদীস: ৮১২)
📒আলেমদের ফতওয়া
১. ইমাম নববী (রহ.) বলেন:
হজ্জ ফরয হওয়ার পর তা বিলম্ব করা গুনাহের কাজ। দ্রুত আদায় করতে হবে।
২. ইমাম শাফেঈ, মালেক ও আহমদ (রহ.) এর মতে:
ফরয হজ্জ বিলম্ব করা জায়েজ নয়। সুযোগ পেলেই করতে হবে।
৩. ইবনে কাসীর (রহ.) বলেন:
♦️যে হজ্জ অস্বীকার করে, সে কাফের; আর যে
অবহেলা করে, সে ফাসেক (বড় গুনাহগার)।
🔶হজ্জ সামর্থ্যবান মুসলমানদের জন্য ফরয।
♦️সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হজ্জ না করলে মানুষ
বড় গুনাহগার হয়।
🔶 যদি ইচ্ছাকৃত অস্বীকার করে, তবে ঈমান
নষ্ট হয়ে যায় (কাফের হয়ে যাবে)।
♦️মৃত্যু পর্যন্ত বিলম্ব করলে হজ্জের দায়িত্ব
আদায় হবে না এবং সে আল্লাহর কাছে
কঠিন জবাবদিহির মুখোমুখি হবে।
👉 তাই, যে মুসলমান আর্থিক, শারীরিকভাবে সক্ষম, তার উপর অবিলম্বে হজ্জ আদায় করা ফরয। বিলম্ব বা অস্বীকার করলে দুনিয়া ও আখিরাতে মারাত্মক পরিণতি বরণ করতে হবে।
📌হজ্জ ২০২৬ নিবন্ধনের জন্য
১জাতীয় পরিচয়পত্রের রঙিন স্কান কপি / পাসপোর্ট স্কান কপি।
২। সচল মোবাইল নাম্বার
৩। রঙিন ছবি
৪। প্রাক-নিবন্ধন ও নিবন্ধন বাবদ ৩০০০০+৩৫০০০০= ৩৮০০০০/-
যোগাযোগঃ
সাউদিয়া হজ্জ ট্রাভেল্স
Pls details WhatsApp, imo