26/09/2026
হাজরে আসওয়াদের সামনে এক মহিলা বেকায়দায় পড়ে গেলে তাকে টেনে বের করার সময় তার বুকের কাপড় পিছনে টান লেগে ছিঁড়ে গিয়ে সম্মুখ অংশ সম্পূর্ণ উম্মুক্ত হয়ে পড়ে। পিছনে হাজরে আসওয়াদ, আর উনি এই অবস্থায় দাঁড়ানো। আমার এক রেগুলার হাজির স্বচক্ষে দেখা বর্ণনা।
আপনি যা চিন্তাও করতে পারবেন না, এরকম অনেক ঘটনা নিত্য নতুন ঘটে এখন হারামের চত্বরে, শুধুমাত্র এই অনাকাঙ্খিত আবেগের ফলে। কত বোনদের পর্দার জঘন্য বরখেলাপ হয় এই আবেগ দেখাতে গিয়ে তা গোনা মুশকিল।
উনি নিজে পুরুষ হয়েও বলে ফেলেছেন আর কখনও উনি নিজেই যাবেন না এই জায়গায় চাপাচাপি করে। সেখানে অনেক বোনেরা আক্ষেপ করেন যেতে পারেন নি বা হাজরে আসওয়াদ ধরতে পারেন নি। তাদের আবেগটা ভ্যালিড, কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন যেটা অগ্রাহ করার সুযোগ নেই।
মাতাফে একবার সামনের কাতারে নামাজে দাঁড়ানোর পরে চাপাচাপি করে কাবা ধরতে ঢোকার সময় বাধা দেয়াতে এক মহিলা হাজি আমার উপর অসম্ভব ক্ষিপ্ত হয়েছিলেন। কি আর করা। আমি শুধু বলেছিলাম গায়ে পরে চাপাচাপি করে ঢোকা হারাম। ব্যস।
ভিড় কমের সময়ে চেষ্টা করা অন্য ব্যাপার। কিন্তু এটা থেকে বেঁচে থাকা অবশ্যই ভাল সিদ্ধান্ত। আর যারা মুখ খোলা জায়েজ, ধাক্কাধাক্কি করে হলেও আবেগ দেখানো উচিত বলে পরামর্শ দেন, তাদের অধিকাংশই বেসিক মাসায়েল সম্পর্কেই সচেতন না। বাকি ইন ডেপথ আলাপ অনেক পরে।
শো অফ আর মন চাহে আবেগ, মাতাফ বা মসজিদে নববী, ইবাদতের চেয়ে প্রাধান্য পাওয়ায় এরা এখন অগ্রবর্তী। এজন্য আমি সবাইকে পরামর্শ দেই যে, হারামে আসার আগে একবার হলেও আবু তাহের মিসবাহ হুজুরের বাইতুল্লাহর মুসাফির এবং ছায়ায়, এই বইগুলো পড়ে আসতে, বেসিক মাসায়েলের বইয়ের সাথে। নাহলে টাকা খরচ করে এসে গুনাহ কামাই করে নিয়ে যাওয়ার অবস্থায় পড়া খুব স্বাভাবিক।