Ghuraghuri with Izhaan

Ghuraghuri with Izhaan Its a blog of the Izhaan's Tour

23/05/2026
20/05/2026

একটা পুরুষ মানুষ বাচ্চা মেয়েটাকে ধর্ষণ করলো, মেয়েটার বয়স কেবল ছিলো আট!
লোকটা পাশের ফ্ল্যাটের। লোকটাকে নিশ্চয়ই রামিসা আঙ্কেল বলতো আর তার স্ত্রীকে আন্টি।
এই লোকটা রামিসাকে ধর্ষণ করেছে।

কিন্তু, খু ন একা করেনি। করেছে তার স্ত্রীসহ। জ্বী স্ত্রীসহ, যে নিজেও একজন নারী। তার নিজেরও রামিসার বয়েসি একটা বাচ্চা থাকতে পারতো বা আছে কিনা জানি না। রামিসা তাকে আন্টি বলে ডাকতো!

একজন নারী একটা বাচ্চাকে ধর্ষণের পর খু ন করতে সাহায্য করলো। কারণ, ধর্ষক তার স্বামী! স্বামীকে বাঁচাতে হবে!
আমাদের ঘরে-ঘরে যে পটেনশিয়াল রেপিস্টের চাষবাস হয় এর দায় আমাদের নারীদেরও কম না, কোনোভাবেই কম না। আমি সবসময় বিশ্বাস করি, পুরুষতান্ত্রিক পুরুষের চেয়ে পুরুষতান্ত্রিক নারীরা নারীদের জন্যই বেশী ক্ষতিকর।

একজন মা যখন একটা ছেলে সন্তান জন্ম দেয়, তার উপর পূর্ণ দায়িত্ব থাকে ছেলেটাকে মানুষ হিসেবে তৈরি করার। কিন্তু, আমাদের মায়েরা কী করে? ছোটবেলা থেকে অমানুষ হওয়ার ট্রেনিং দেয়। ছেলেদের শেখায় তোমরা পুরুষ, তোমরা যা খুশি করতে পারো। আর মেয়েদের শেখায় তোমরা নারী তোমরা মুখ বন্ধ করে সব সহ্য করবা!
ছেলেদেরকে ছোটবেলা থেকে শেখায় নারীরা তাদের অধিনস্ত নিচু প্রকৃতির জীব!

অথচ, এতো অবহেলা আর অত্যাচার সহ্য করা নারীদের অন্তত নিজের ছেলেকে মানুষ হিসেবে বড় করার কথা ছিলো। উল্টো তারা অমানুষ বানায়, সুশিক্ষা দেয়না! ঘরে-ঘরে তৈরি হয় মিসোজিনিস্ট, পটেনশিয়াল রেপিস্ট।

আপনারা যদি সুশিক্ষা দিয়ে সন্তান বড় করতে না পারেন তাহলে প্লিজ জন্ম দিয়েন না। জেনারেশনাল মিসোজিনি শেষ হোক। দরকার নাই এতো মানুষের। দরকার নাই আমাদের শিশুদের এভাবে ঝড়ে যাওয়ার।

একজন কর্মজীবী মা এবং মেয়ে কখন সবচেয়ে বেশি সফল জানেন। যখন সে একসাথে সন্তান এবং বাবা দুইজনের জন্যই কিছু করার সুযোগ পায়। মা...
17/05/2026

একজন কর্মজীবী মা এবং মেয়ে কখন সবচেয়ে বেশি সফল জানেন। যখন সে একসাথে সন্তান এবং বাবা দুইজনের জন্যই কিছু করার সুযোগ পায়। মাঝে মাঝে খারাপ লাগাটাও চলে যায় যখন কারো কাছে তাদের জন্য মুখাপেক্ষী আল্লাহ নিজেও করেন না। আল্লাহ যাতে না করান যতদিন প্রাণ আছে আমার।আমীন।

30/04/2026

সকাল সকাল একটা তিক্ততা নিয়ে হাজির হচ্ছি।
ছবিতে যে মগ দুইটা দেখছেন, দুইটাই আমার ঘরের মানুষের চা খাওয়ার মগ; আমারটা আলাদা। যাই হোক, কথা সেটা না।
এখানে একটা মগে তিনি সন্ধ্যায় অফিস থেকে ফিরে কফি খেয়েছেন, আরেকটি সকালে। এবং একটা মগও তিনি ত্রিশ সেকেন্ড ব্যয় করে রান্নাঘরে নিয়ে রাখতে পারেননি।
এই চিত্র গত ছয় বছরের। গত ছয় বছরেও আমার শত চেষ্টা, শত অনুরোধ, শত অভিযোগ, শত চিল্লাচিল্লি উনাকে একচুলও পরিবর্তন করতে পারেনি।
এটা সামান্য, আরো আছে।
খাবার খাবে বিছানায় বসে। এক পায়ের উপর ফোন, লাইড ভলিউমে পাকিস্তানি সিরিয়াল, আরেক পায়ের উপর ভাতের প্লেট। নজর ফোনের দিকে। টুপটুপ করে বিছানায় ভাত পড়ছে।
যে কোনো খাবারের প্যাকেট খুলে সে প্যাকেট বিছানার উপর, সাইড টেবিলের উপর, খাটের ফাঁকে ফেলে রাখে। অথচ আমার বাসায় আমি চারটা বিন রেখেছি। এই প্যাকেট হয়ত আমি সরাই, নয়ত চিৎকার করে উনাকে দিয়ে সরাই। দুইটার একটাও না করলে এই প্যাকেট একটা দুটো তিনটা করে খাটের চারপাশে জমে স্তুপ হবে। উনি হাঁটবেন, পায়ে এইসব পলি লাগবে তাও সরাবেন না। কারণ অভ্যাস নেই। কারণ উনার হাতে ফোন। হয়ত সিরিয়াল চলছে নয়ত গেম।
আমি গত ছয় বছরেও উনাকে পারিনি টেবিলে বসে খাওয়াতে। এমনকি অরোরা সলিড ধরার পরও একসাথে বসে একটা ফ্যামিলি ডিনারও না। বাচ্চাকে খাওয়া শেখাতে ফ্যামিলির একসাথে বসে খাওয়ার গুরত্ব নিয়ে হাজার ভিডিয়ো, হাজার পডকাস্ট উনাকে আমি শেয়ার করছি, লাভ হয়নি। উনি জানেও না অরোরা খেয়েছে নাকি খায়নি। কারণ, উনার সময় নেই। হাতের গেমে চাল চলতে হবে। একদিন উঁকি দিয়ে দেখেছি কী খেলে এসব। দেখি, ঘর বানায়, চাষাবাদ করে। আমি জানি না, যারা গেম খেলেন তারা হয়ত জানবেন, এগুলোর কি এমন নিয়ম আছে একবেলা না খেললে ফসল শুকিয়ে যায়? নয়ত এমন নিয়ম মেনে খেলবে কেন!
উনি ওদিকে গেমে ফসল ফলাচ্ছে আর এদিকে উনার ঘর ভেঙে যাচ্ছে, সে খবর উনাকে কে জানাবে!
যা বলছিলাম... এইযে উনার এসব অভ্যাস, কীভাবে হল? উত্তর- পরিবার। ছোট থেকে শেখায়নি। ইনি বড় হয়েও শেখেননি। পরিবার শিখিয়েছে উনি পুরুষ, পুরুষের কাজ আলাদা, উনি তাই শিখেছেন। আমি বাসার কাজে হেল্প চাইলে আমাকে এ কথাই শোনান, এসব উনার কাজ না, উনার কাজ বাইরে।
আমি কীভাবে বুঝলাম উনার পরিবার শেখায়নি। আমার ননদকে দেখে। উনার দুই ছেলে। একই প্যাটার্ণ। ওদের রুমে গেলে আমার দমবন্ধ হয়ে আসত। উনি বলতেন, ওরা তো ছেলে, এসব বুঝে না
মেয়ে হলে বুঝত।
সিরিয়াসলি?
পুরুষমানুষ তো আমার পরিবারেও আছে। আমার বাবার সত্তর চলছে। এখনও রান্নাবান্না করে, ঘর পরিষ্কার করে, নিজের কাপড় নিজেই ধোয়, বুয়াকে দেয় না, পছন্দ হয় না বলে।
আমার ভাই একজন শিক্ষা ক্যাডার। কলেজে যাওয়ার আগে, এসে ঘরের সব কাজ গুছিয়ে যায়। ঘরের এমন কোনো কাজ নেই যা ও জানে না। এত কিছু সামলেও দুই বাচ্চাকে সময় দেয়। বউকে ঘুমানোর, রেস্ট করার সময় দেয়। মায়ের ক্যান্সার, সবরকম সেবা করে। কেমোর পর মা বাথরুমে যেয়ে কুলায় না, বমি-পায়খানা করে দেয়। আমার ভাই সব পরিষ্কার করে। মাকে একা চাঁদপুর থেকে ঢাকায় নিয়ে কেমো দিয়ে আনা, সব করে।
আমি সবসময় বলি, পরিবার আমাদের প্রধান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান। একচুলও ভুল বলি না। আমার দেখা যত সুপুরুষ আছে, সবার পরিবারও অমন।
আর আমাকে কেউ বোঝান, পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার কি কোনো জেন্ডার থাকতে পারে? পাশের মানুষের জন্য মমত্ব দেখানোর জন্য আলাদা জেন্ডার লাগে?
'মা তো মা-ই' এই ননসেন্স কথাটা এসেছেই এই বাবাদের দায়িত্বজ্ঞানহীনতা থেকে। অথচ একটি শিশু মা-বাবা দুজন থেকেই আসে।
অনেক কথা বলে ফেললাম। ক্ষমা করবেন।
তবে শেষে আরেকটি কথা বলি- আপনি যদি ছেলেসন্তানের প্যারেন্টস হোন, প্লিজ ওকে মানুষ বানান, পুরুষ নয়।

30/03/2026

হাম নিয়ে কিছু কথা বলা দরকার মনে করছি কারণ ইতোমধ্যেই আপনারা অনেকেই দেখেছেন হাম রোগে আক্রান্ত হয়ে বেশ কিছু বাচ্চার মৃ*ত্যু হয়েছে❗
তাই এই পোস্টটা লিখছি।
শুরুতে হাম চেনা কঠিন। প্রথম ৩-৪ দিন একদম সাধারণ ঠান্ডার মতো মনে হয় — জ্বর, নাক দিয়ে পানি, কাশি, চোখ একটু লাল। এই সময় কেউ হাম সন্দেহ করে না।
কিন্তু একটা জিনিস খুঁজবেন — বাচ্চার মুখের ভেতরে গালের দিকে ছোট সাদা দানা। একটু ভাতের মতো দেখতে। এটাকে বলে Koplik's Spots। এটা দেখলে বুঝবেন হামই হয়েছে, আর কিছু না।
এর ১-২ দিন পরে র‍্যাশ আসে। কান থেকে শুরু হয়, মুখে আসে, তারপর ধীরে ধীরে নিচে নামে। পায়ে যখন পৌঁছায়, তখন জ্বর সবচেয়ে বেশি — ১০৪°F পর্যন্ত উঠতে পারে।

এখন সবচেয়ে জরুরি অংশ।
হাম বেশিরভাগ ক্ষেত্রে ৭-১০ দিনে সেরে যায়। কিন্তু কিছু বাচ্চার জটিলতা হয় — এবং সেটা হলে দ্রুত হাসপাতালে নিতে হবে।
কোন লক্ষণগুলো দেখলে দেরি করবেন না —
**র‍্যাশ আসার পরেও জ্বর কমছে না বা আবার বাড়ছে — এটা নিউমোনিয়ার ইঙ্গিত হতে পারে। শ্বাস একটু দ্রুত বা কষ্টের মনে হলে আরও বেশি সন্দেহ।
***বাচ্চা অস্বাভাবিক ঘুমাচ্ছে, ডাকলে সাড়া কম দিচ্ছে, খিঁচুনি হচ্ছে — এটা ব্রেইনে প্রদাহের লক্ষণ হতে পারে। এটা হলে এক মুহূর্ত দেরি না করে হাসপাতাল।
***চোখ অনেক বেশি লাল, আলোতে কষ্ট হচ্ছে বা দেখতে সমস্যা হচ্ছে — চোখের জটিলতা হতে পারে।
**কান থেকে পানি পড়া বা কানে ব্যথা — কানের ইনফেকশন।
**পানি খাচ্ছে না, প্রস্রাব কমে গেছে — পানিশূন্যতা।
এগুলোর যেকোনো একটা দেখলে বাড়িতে বসে থাকবেন না।
───
একটা কথা না বললেই না।
হাম হলে শরীরে একটা অদ্ভুত জিনিস হয় — আগে যেসব রোগ থেকে শরীরের সুরক্ষা তৈরি হয়েছিল, সেই "মেমোরি" মুছে যায়। মানে হাম সেরে যাওয়ার পরেও বাচ্চাটা ২-৩ বছর ধরে অন্য সব রোগের বিরুদ্ধেও দুর্বল থাকে। এটাকে বিজ্ঞানীরা বলছেন Immune Amnesia।
শুধু একটা রোগ না, রোগের দরজা খুলে দেয় হাম।

চিকিৎসা প্রসঙ্গে বলি — হামের নির্দিষ্ট কোনো ওষুধ নেই। Vitamin A দেওয়া হয়, জ্বরের জন্য Paracetamol, আর পর্যাপ্ত পানি ও বিশ্রাম। বাকিটা শরীরকেই লড়তে হয়।
তাই প্রতিরোধের কোন বিকল্প নেই।

MMR টিকা —
৯ মাসে একটা, ১৫ মাসে আরেকটা।
সরকারি কেন্দ্রে বিনামূল্যে পাওয়া যায়।
৯৭% পর্যন্ত কার্যকর।
"টিকায় অটিজম হয়" — এই গল্পটা একটা ভুয়া গবেষণা থেকে ছড়িয়েছিল। সেই গবেষণাটি পরে জাল প্রমাণিত হয়েছে, জার্নাল থেকে প্রত্যাহার হয়েছে, গবেষকের লাইসেন্স বাতিল হয়েছে। কিন্তু গল্পটা এখনও অনেক জায়গায় ঘুরে বেড়ায়❗

আপনার বাচ্চার দুটো ডোজ দেওয়া আছে কি না একটু মিলিয়ে নিন। না থাকলে আজই উদ্যোগ নিন।
ধন্যবাদ মনোযোগ দিয়ে পোস্টটি পড়ার কারণে।

Its swimmimg time😍😍😍😍😍😍😍Don't forget to say Masha AllahAllahumma Barik laha
30/03/2026

Its swimmimg time😍😍😍😍😍😍😍

Don't forget to say Masha Allah

Allahumma Barik laha

মুসলিম মায়ের দোয়াআজকের এই উচ্চকিত, অস্থির আর বিশ্বাসহীন পৃথিবীতে যে মা তার সন্তানকে আল্লাহর পথে বড় করার চেষ্টা করছেন,এই ...
07/01/2026

মুসলিম মায়ের দোয়া
আজকের এই উচ্চকিত, অস্থির আর বিশ্বাসহীন পৃথিবীতে যে মা তার সন্তানকে আল্লাহর পথে বড় করার চেষ্টা করছেন,
এই দোয়াগুলো সেই মায়ের জন্য।

যে মা পৃথিবীর প্রতিটি কোলাহলের মাঝেও সন্তানের অন্তরে ঈমানের আলো জ্বালাতে চান- যে মা জানেন, সন্তান শুধুই দুনিয়ার জন্য নয় বরং আখিরাতেরও একটি আমানত-এই দোয়াগুলো সেই মায়ের জন্য।

এ দোয়া সেই মায়ের জন্য যে ক্লান্ত হয়, তবুও হাল ছাড়ে না…যে রাত জেগে শিশুর ঘুম দেখে আর মনে মনে বলে,হে আল্লাহ, আমাকে আপনার পথে ঠিক রাখুন, আমার সন্তানকেও

ইয়া আল্লাহ
“হে আল্লাহ, আমার সন্তানের চোখ যেন নামাজের দিকে ফেরে অভ্যাসবশত নয় বরং ভালোবাসার টানে।সে যেন নামাজকে দায়িত্ব নয়, শান্তির ঠিকানা মনে করে।যেন সে সিজদায় সান্ত্বনা খুঁজে পায়, মানুষের কাছে স্বীকৃতিতে নয়।”

ইয়া রব
“হে পালনকর্তা, আমার সন্তান যেন করতালির প্রশংসার চেয়ে আযানের শব্দকে বেশি ভালোবাসে।সে যেন মানুষের নজর নয় ,আপনার সন্তুষ্টিই খোঁজে।তাকে এমন হৃদয় দিন, যা দুনিয়ার চাহিদায় হারিয়ে যায় না বরং আপনার ডাকের প্রতিই সাড়া দেয়।”

ইয়া নূর
“হে জ্যোতির্ময়, আমার সন্তানের হৃদয়ে এমন ঈমানী আলো দিন যা কোনো স্ক্রিন, কোনো ট্রেন্ড, কোনো বন্ধুত্ব, কোনো প্রলোভনই নিভিয়ে দিতে না পারে।তার হৃদয় যেন আপনার ভালোবাসায় পরিপূর্ণ থাকে যাতে দুনিয়ার অন্ধকার তাকে কখনো পথভ্রষ্ট না করতে পারে।”

ইয়া সালাম
“হে শান্তিদানকারী, আপনার প্রশান্তি দিয়ে তাদের ঘর, তাদের চিন্তা, তাদের ভবিষ্যৎ ভরে দিন।যখন আমার ধৈর্য কমে যায়, ভয় আমাকে গ্রাস করে, মন অস্থির হয়ে যায় তখনো আপনার শান্তি যেন আমাদের ঘরে স্থিরভাবে বিরাজ করে।আমার দুর্বলতার চেয়ে আপনার রহমত যেন বড় হয়।”

ইয়া লতিফ
“হে পরম দয়ালু, যেদিন আমি ক্লান্ত হয়ে কণ্ঠস্বর উঁচু করে ফেলি সেদিন তাদের হৃদয় ভেঙে যাওয়ার আগেই আমাকে থামিয়ে দিন।যেখানে আমি ঈমানের বীজ বপন করতে চাই সেখানে যেন আমার আচরণ ভয় বা কষ্টের বীজ না বোনে।
আমাকে এমন মা বানান যে শেখায় ভালোবাসা দিয়ে, চাপ দিয়ে নয়।আমাকে নম্রতায় মাতৃত্ব পালন করার তৌফিক দিন সে দিনগুলোতেও, যখন শরীর ক্লান্ত, মন ভারী, দায়িত্ব অসীম মনে হয়।”

ইয়া রাহমান
“হে পরম করুণাময়, যখন আমি শিশুকে ‘চুপ’ করাতে চাই
তখন আমাকে মনে করিয়ে দিন, আপনি আমাকে কত কোমলভাবে শান্ত করেন।আমার মাতৃত্ব তো আপনার করুণারই একটি ছোট অনুকরণআমাকে আপনার মতো দয়া শিখিয়ে দিন।”

ইয়া গফুর
“হে সর্বক্ষমাশীল, আমাকে ক্ষমা করুন,যখন আমি দুশ্চিন্তা, ভয় আর নিয়ন্ত্রণের মধ্যে মাতৃত্ব পালন করি এবং তাওয়াক্কুল ভুলে যাই।আমি শিখছি।আপনার ওপর ভরসা করতে,
সবকিছু আপনার হাতে ছেড়ে দিতে।”

ইয়া সামী
“হে সর্বশ্রোতা, আমার কাছে হয়তো সুন্দর শব্দ নেই কিন্তু যখন আমি ঘুমন্ত সন্তানের দিকে তাকিয়ে অশ্রু ফেলি, আপনি আমার সেই নীরব দোয়াও শুনে ফেলেন।আমার ভালোবাসাচ আসলে আপনার ভালোবাসারই প্রতিফলন।”

আমরা যারা মা আমরা ভুল করি, আবার শিখি।আমরা ভেঙে পড়ি, আবার শক্ত হয়ে দাঁড়াই।আমরা চেষ্টা করি, কারণ আমরা জানি আমাদের সন্তানদের ঈমানী ভবিষ্যৎ-আমাদের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।

আল্লাহ আমাদের সন্তানদের ঈমানদার, নরম হৃদয়ের, নম্র স্বভাবের ও সুন্দর চরিত্রের মানুষ বানান।আমাদের মাতৃত্বকে তিনি কবুল করুন। আমীন।

Address

Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ghuraghuri with Izhaan posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Ghuraghuri with Izhaan:

Share

Category