Amar Cox’sbazar- আমার কক্সবাজার

Amar Cox’sbazar- আমার কক্সবাজার Follow us to feel Cox’s Bazar – not just see it.

Amar Cox’s Bazar - আমার কক্সবাজার
🌊 Life | Travel | Blog | Review | Info Hub
আমার সমুদ্র, আমার গল্প।
Discover the soul of Cox’s Bazar through lifestyle stories, travel inspiration, local reviews.

13/07/2026
13/07/2026

PT School road construction

25/06/2025

Our Cox’sbazar

12/06/2025

বাংলাদেশের ইতিহাসে নতুন অধ্যায়!
সমুদ্রপাড় ঘেঁষে কক্সবাজার-শাহপরীর দ্বীপ রেলপথ
বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য যদি কক্সবাজার রেলওয়ে স্টেশন থেকে শাহপরীর দ্বীপ পর্যন্ত সমুদ্রের তীর ঘেঁষে ডাবল লাইন রেলপথ নির্মাণ করা হয়
এই রেলপথ শুধু যোগাযোগ নয়, বদলে দেবে দেশের পর্যটন, অর্থনীতি আর আর্থ-সামাজিক চিত্র।
🚄 এই রুটে যা থাকবেঃ

ভিস্তাডম কোচসহ টুরিস্ট স্পেশাল ট্রেন
এগুলো কক্সবাজার থেকে শাহপরীরদ্বীপ পর্যন্ত চলাচল করবে। যেখানে বসে দেখতে পারবেন একপাশের বিশাল 🌊সমুদ্র আরেকপাশের‌ আকাশছোঁয়া ⛰️পাহাড়। ভাবুন তো… আপনি ভিস্তাডমে চড়ে বালুকাময় সৈকতের পাশ দিয়ে যাচ্ছেন, আর সূর্যটা ধীরে ধীরে ডুব দিচ্ছে সমুদ্রের পানিতে 🌊🌞 কেমন অনুভূতি হবে তখন??

✅ ট্রেন 🚈
লোকাল ট্রেন হিসেবে ব্যবহার করা হবে। এতে সবচেয়ে বেশি সুবিধা পাবেন স্থানীয় লোকজন ও পর্যটকরা। ১২০ কিমির অবিচ্ছিন্ন সৈকতের যেকোনো পয়েন্টে স্টেশনে নেমে পায়ে হেঁটেই যেতে পারবেন 🚶‍♂️🌴 লাগবে না আর অটোরিকশা কিংবা সিএনজি।
✅ আন্তঃনগর ট্রেন 🚄
ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ,চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল,রাজশাহী, সিলেট, পঞ্চগড়,রংপুর , ময়মনসিংহসহ দেশের বড় বড় শহর থেকে সরাসরি এই রুটে ট্রেন ছুটে আসবে। পাশাপাশি খাগড়াছড়ি রাঙ্গামাটি,কাপ্তাই,বান্দরবান, নোয়াখালী, চাঁদপুর, লক্ষীপুর,ফেনী থেকে‌ও ট্রেন চলাচল করবে‌।সেন্টমার্টিন ভ্রমণ আরও সহজ হবে 🏝️✨
অতিরিক্ত চাহিদা থাকা রুট গুলোতে সপ্তাহের প্রতিদিন ট্রেন চলবে। অন্যান্য দূরবর্তী বিভাগীয় শহর থেকে সপ্তাহে ২ অথবা ৩ দিন ট্রেন আসবে।

✅ বিশেষ ফ্রিজিং ভ্যান ট্রেন (মাছ পরিবহনের জন্য) 🐟🚛
আন্তঃনগর ট্রেনের সঙ্গে যুক্ত থাকবে। এতে কক্সবাজারের টাটকা মাছ, কাঁকড়া দ্রুত সময়ের মধ্যে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে পৌঁছে যাবে।
🛤️ প্রস্তাবিত স্টেশনসমূহ 🚉:
১️⃣ কক্সবাজার
২️⃣ কলাতলী
৩️⃣ হিমছড়ি
৪️⃣ পেঁচার দ্বীপ
৫️⃣ সোনার পাড়া
৬️⃣ ইনানী
৭️⃣ পাটুয়ারটেক
৮️⃣ বাইলাখালী
৯️⃣ ছোয়াংখালী
🔟 শামলাপুর
১১️⃣ বাহারছড়া
১২️⃣ বরদৈল
১৩️⃣ বাঘগোনা
১৪️⃣ লেঙ্গুরবিল
১৫⃣ টেকনাফ
১৬️⃣ সাবরাং
১৭️⃣ জালিয়াপাড়া
১৮️⃣ শাহপরীর দ্বীপ

📍 স্টেশনগুলো ২-৩ কিমি পরপর সুবিধাজনক স্থানে বসানো হবে, যাতে পর্যটক, স্থানীয় ব্যবসায়ী , সাধারণ মানুষ এবং জেলেরা সবাই সমানভাবে উপকৃত হন।

🎯 এ প্রকল্প বাস্তবায়নে যে উন্নয়ন হবে 📈:

🌴 পর্যটনে নতুন দিগন্ত:
কক্সবাজার থেকে টেকনাফ পর্যন্ত অসাধারণ প্রকৃতি আর সমুদ্রের ঢেউয়ের সৌন্দর্য দেখতে হাজার হাজার পর্যটক আসবে। ভিস্তাডম কোচে বসে উপভোগ করা যাবে সমুদ্রপাড়ের মনোমুগ্ধকর দৃশ্য।

🏨 হোটেল-রিসোর্ট, রেস্টুরেন্ট, হস্তশিল্প — সবকিছুর চাহিদা বাড়বে বহুগুণ।

🐟 মাছ পরিবহন ও রপ্তানি সুবিধা:
ফ্রিজিং ভ্যান ট্রেন থাকায় শাহপরীর দ্বীপ, টেকনাফ, বাহারছড়া থেকে মাছ সরাসরি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে দ্রুত পাঠানো যাবে। এতে মৎস্য খাতে নতুন অর্থনৈতিক সম্ভাবনা তৈরি হবে।

👨‍👩‍👧‍👦 আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন:
এ অঞ্চলের মানুষের কর্মসংস্থান বাড়বে। হোটেল-রিসোর্ট, পরিবহন, মৎস্য খাত, হস্তশিল্পসহ বিভিন্ন পেশায় কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে।

💰 অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি:
পর্যটন ও মাছ রপ্তানি খাত থেকে বছরে হাজার কোটি টাকার আয় হবে। বাড়বে দেশের বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন।

🇧🇩 দক্ষিণ কক্সবাজারের উন্নয়নে যুগান্তকারী ভূমিকা রাখবে এই রেলপথ।

বি: দ্র: সংগৃহীত

11/06/2025

Endless peace: Sound

11/06/2025

Today-World longest sand beach

কক্সবাজার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি শহর, মৎস্য বন্দর এবং পর্যটন কেন্দ্র। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজা...
10/06/2025

কক্সবাজার বাংলাদেশের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত একটি শহর, মৎস্য বন্দর এবং পর্যটন কেন্দ্র। এটি চট্টগ্রাম বিভাগের কক্সবাজার জেলার সদর দপ্তর। স্থানাঙ্ক: ২১°৩৫′০″ উত্তর ৯২°০১′০″
• কক্সবাজার: আয়তন • মোট ২৪.৪৫ বর্গকিমি (৯.৪৪ বর্গমাইল)
জনসংখ্যা • মোট ২,২৩,৫২২
• জন ঘনত্ব ৯,১০০/বর্গকিমি (২৪,০০০/বর্গমাইল
কক্সবাজার তার নৈসর্গিক সৌন্দর্য্যের জন্য বিখ্যাত। এখানে রয়েছে বিশ্বের দীর্ঘতম নিরবচ্ছিন্ন প্রাকৃতিক বালুময় সমুদ্র সৈকত, যা ১২০ কি.মি. পর্যন্ত বিস্তৃত। এখানে রয়েছে বাংলাদেশের বৃহত্তম সামুদ্রিক মৎস্য বন্দর এবং সাবমেরিন ক্যাবল ল্যান্ডিং স্টেশন। একসময় কক্সবাজার পানোয়া নামেও পরিচিত ছিল যার আক্ষরিক অর্থ হচ্ছে হলুদ ফুল। এর আরও একটি প্রাচীন নাম হচ্ছে পালংকি।

নবম শতাব্দীর গোড়ার দিক থেকে ১৬১৬ সালে মুঘল অধিগ্রহণের আগে পর্যন্ত কক্সবাজার-সহ চট্টগ্রামের একটি বড় অংশ আরাকান রাজ্যের অন্তর্ভুক্ত ছিলো। মুঘল সম্রাট শাহ সুজা পাহাড়ী রাস্তা ধরে আরাকান যাওয়ার পথে কক্সবাজারের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে মুগ্ধ হন এবং এখানেই ক্যাম্প স্থাপনের আদেশ দেন। তার যাত্রাবহরের প্রায় একহাজার পালঙ্কী কক্সবাজারের চকরিয়ার ডুলাহাজারা নামের স্থানে অবস্থান নেয়। ডুলহাজারা অর্থ হাজার পালঙ্কী। মুঘলদের পরে ত্রিপুরা এবং আরকান তার পর পর্তুগিজ এবং ব্রিটিশরা এই এলাকার নিয়ন্ত্রণ নেয়।

কক্সবাজার নামটি এসেছে ক্যাপ্টেন হিরাম কক্স নামে ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির এক অফিসারের নাম থেকে। কক্সবাজারের আগের নাম ছিল পালংকি। ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি অধ্যাদেশ, ১৭৭৩ জারি হওয়ার পর ওয়ারেন্ট হোস্টিং বাংলার গভর্নর হিসেবে নিয়োগ প্রাপ্ত হন। তখন হিরাম কক্স পালংকির মহাপরিচালক নিযুক্ত হন। ক্যাপ্টেন কক্স আরাকান শরণার্থী এবং স্থানীয় রাখাইনদের মধ্যে বিদ্যমান হাজার বছরের পুরোনো সংঘাত নিরসনের চেষ্টা করেন এবং শরণার্থীদের পুনর্বাসনে গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি সাধন করেন কিন্তু কাজ পুরোপুরি শেষ করার আগেই মারা (১৭৯৯) যান। তার পুনর্বাসন অবদানকে স্মরণীয় করে রাখতে একটি বাজার প্রতিষ্ঠা করা হয় এবং এর নাম দেয়া হয় কক্স সাহেবের বাজার। কক্সবাজার থানা প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় ১৮৫৪ সালে এবং পৌরসভা গঠিত হয় ১৮৬৯ সালে।

Address

Cox's Bazar
4700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Amar Cox’sbazar- আমার কক্সবাজার posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share