সিউর ট্রাভেল-Sure Travel

সিউর ট্রাভেল-Sure Travel e-Passport, Air & Train Ticket, Travel Visa, Manpower, Travel Tax & Insurance, Hotel, Tour Package.

 #চীনে কি এই প্রথমবার যাচ্ছেন?  চীনের ব্যবসা ও সোর্সিংয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর। সঙ্গে Canton Tower-এর দারুণ ভিউ আর বি...
12/08/2026

#চীনে কি এই প্রথমবার যাচ্ছেন?

চীনের ব্যবসা ও সোর্সিংয়ের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শহর। সঙ্গে Canton Tower-এর দারুণ ভিউ আর বিখ্যাত Cantonese খাবার।


আকাশ ছোঁয়া পাহাড়, মেঘের মধ্যে ভেসে থাকা অসাধারণ প্রাকৃতিক দৃশ্য। Avatar-এর অনুপ্রেরণার সঙ্গে যাকে অনেকেই তুলনা করেন।


পাহাড়ের ওপর গড়ে ওঠা অবিশ্বাস্য এক শহর। রাতের আলো, উঁচু-নিচু রাস্তা আর বিখ্যাত ঝাল Hotpot আপনাকে আলাদা অভিজ্ঞতা দেবে।


Giant Panda দেখার পাশাপাশি ঐতিহ্যবাহী Chinese Teahouse-এ বসে ধীর গতির চীনা জীবন উপভোগ করার সুযোগ।

’an
হাজার বছরের ইতিহাস, বিখ্যাত Terracotta Army, প্রাচীন City Wall আর প্রাণবন্ত খাবারের গলি।


Forbidden City, এবং পুরনো Hutong এলাকা। চীনের ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে কাছ থেকে দেখার অন্যতম সেরা জায়গা।


The Bund-এর আইকনিক Skyline, আধুনিক শহুরে জীবন, এবং শিল্প-সংস্কৃতির দারুণ মিশেল।

প্রতিটি শহরের গল্প আলাদা।
আর সবগুলো একসঙ্গে দেখলে চীনকে শুধু ব্যবসার দেশ হিসেবে নয়, বরং তার ইতিহাস, সংস্কৃতি, প্রকৃতি ও মানুষের জীবনযাত্রার দিক থেকেও নতুনভাবে চিনতে পারবেন।

তাহলে বলুন তো…

এই ৭টি শহরের মধ্যে আপনার প্রথম পছন্দ কোনটি?

কমেন্টে আপনার উত্তরটা জানিয়ে দিন।

বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ বিভিন্ন কারণে ভারতে যাতায়াত করেন। এর মধ্যে ঘুরতে যাওয়া, চিকিৎসা, এম্বাসি ফেইস করা এবং তীর্থযাত্র...
11/08/2026

বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ বিভিন্ন কারণে ভারতে যাতায়াত করেন। এর মধ্যে ঘুরতে যাওয়া, চিকিৎসা, এম্বাসি ফেইস করা এবং তীর্থযাত্রা অন্যতম।

আজ এক ভাই তার অভিজ্ঞতা বর্ণনা করলেন। তিনি মূলত দুটি উদ্দেশ্যে ভারতে গিয়েছিলেন। প্রথমত, ইউরোপের একটি এম্বাসি ফেইস করতে এবং দ্বিতীয়ত, চিকিৎসার জন্য। বর্তমানে বাংলাদেশ থেকে বহু মানুষ ট্যুরিস্ট বা মেডিকেল ভিসায় ভারতে গিয়ে এম্বাসি ফেইস করে থাকেন।

উনিও কলকাতায় চিকিৎসার কাজ সেরে দিল্লিতে গিয়ে এম্বাসি ফেইস করেন। এরপর দিল্লিতে একদিন অবস্থান করে আবার কলকাতায় ফিরে বাংলাদেশে রওনা হন।

কিন্তু ফেরার সময় ভারতীয় ইমিগ্রেশনে তাকে কঠিন জেরার মুখে পড়তে হয়। কারণ ইমিগ্রেশনের কাছে তথ্য ছিল যে, তিনি দিল্লিতে একদিন রাত্রিযাপন করেছেন।

এর মাধ্যমে একটি বিষয় পরিষ্কার হয়, আপনি যেখানেই যান এবং হোটেলে থাকেন, সেখানে পাসপোর্ট দিয়ে থাকার কারণে সেই তথ্য তাদের সিস্টেমে চলে আসে। আপনার মুভমেন্টের এসব ডাটা ইমিগ্রেশনসহ সংশ্লিষ্ট জায়গাগুলোতে সংরক্ষিত থাকায় তারা সহজেই বুঝতে পারে আপনি কোথায় কোথায় গিয়েছেন।

বহু জেরার পর তিনি একটি কৌশল অবলম্বন করে ছাড়া পান। এর মধ্যে তার ফোনসহ অন্যান্য জিনিসপত্রও ঘাটাঘাটি করা হয়।

এখন যারা এম্বাসি ফেইস করার জন্য ডবল এন্ট্রি ভিসা ছাড়া অন্য কোনো ভিসায় ভারতে যাচ্ছেন, তাদের বিষয়গুলো সম্পর্কে অবশ্যই সচেতন হতে হবে। নইলে বেশ বিড়ম্বনার শিকার হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বাংলাদেশে ডবল এন্ট্রি ভিসার খরচ আকাশচুম্বী এবং কন্ট্রাক্ট ছাড়া পাওয়া যায় না বললেই চলে। ফলে বাধ্য হয়েই অধিকাংশ মানুষ অন্য ক্যাটাগরির ভিসা নিয়ে এম্বাসি ফেইস করেন। আবার কিছু এম্বাসি যেহেতু ভিসার ক্যাটাগরি দেখে না, তাই অনেকেই এই সুযোগটি নেওয়ার চেষ্টা করেন।

তবে বিষয়গুলো সম্পর্কে আপনার যথেষ্ট নলেজ না থাকলে ইমিগ্রেশনে জটিলতায় পড়ে পুরো সফরটাই কঠিন হয়ে যেতে পারে।

এটাও আমাদের দুর্ভাগ্য যে, বিভিন্ন দেশে কাজের জন্য বা অন্য যেকোনো কারণেই যেতে হলে নিজ দেশে সংশ্লিষ্ট এম্বাসি না থাকায় অন্য দেশের ওপর নির্ভর করতে হচ্ছে। আর সেখানকার ব্যবস্থাপনাও এতটাই জটিল যে, মানুষের ভোগান্তির শেষ নেই। কবে এর নিরসন হবে, সেটাও অজানা।

সুতরাং যারা এম্বাসি ফেইস করতে ভারতে ভ্রমণ করছেন, তারা চেষ্টা করুন দিল্লিতে অবস্থান না করে দিনে দিনে কাজ জমা দিয়ে ফিরে আসতে।

আপনার মুভমেন্ট ও ডাটাগুলো তাদের সার্ভারে সংরক্ষিত হচ্ছে। তাই এমন কোনো বানোয়াটা কথা বলবেন না, যেটার কারণে আপনি অটোমেটিক ধরা পড়ে যান এবং পরবর্তীতে ক্ষতিগ্রস্ত হন।

09/08/2026

#সতর্কবার্তা: #মালয়েশিয়া ইমিগ্রেশন খুব কড়া!
৭/০৮/২০২৬ তারিখে KLIA এয়ারপোর্টে যা ঘটলো
মালয়েশিয়ান বর্ডার কন্ট্রোল AKPS এর ৭ ঘন্টার অপারেশনে ১০০+ টুরিস্ট ভিসার যাত্রীকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।
এর মধ্যে ৮০ জন বাংলাদেশি, ১০ জন ইন্ডিয়ান, ৯ জন পাকিস্তানি.
#ফেরত_পাঠানোর_মূল_কারণ:
1.সন্দেহজনক কারণ টুরিস্ট ভিসায় এসে কাজের উদ্দেশ্য
2.রিটার্ন টিকেট নাই
3.ফেইক হোটেল বুকিং
4.পর্যাপ্ত টাকা নাই
5.ডকুমেন্ট ভেরিফাই হয় নাই

ইন্ডিয়া থেকে মরদেহ আনার পদ্ধতি****************************ইন্ডিয়ায় গিয়ে কেউ মারা গেলে সেই লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে আপনাকে লম...
07/08/2026

ইন্ডিয়া থেকে মরদেহ আনার পদ্ধতি
****************************

ইন্ডিয়ায় গিয়ে কেউ মারা গেলে সেই লাশ দেশে ফিরিয়ে আনতে আপনাকে লম্বা একটি রাস্তা বা বেশ কিছু প্রসেস সম্পন্ন করে দেশে মৃতদেহ ফেরত আনতে হবে। এসময় বেশ কিছু অফিসে কাগজপত্র জমা দিয়ে প্রমাণ করতে হবে মৃতদেহটি আপনার আত্মীয়র, বা রোগীর এটেন্ডেন্স হিসেবে রোগীর সাথে আপনি বাংলাদেশ থেকে এসেছেন। সাথে এটাও প্রমাণ দিতে হবে সেখানে অবস্থানকালে আপনি বা মৃত ব্যক্তি অবৈধ কোন কাজ করেন নি। অবৈধ কাজ বলতে পাসপোর্ট ব্যতীত ইন্ডিয়া গমন, ভিসার মেয়াদ শেষ হওয়ার পরেও অবস্থান, মাদক বা আইনী মামলায় আটক, অবৈধ উপায়ে অঙ্গ প্রতিস্থাপন ইত্যাদি।

আমি একের পর এক ধাপ সম্পর্কে লিখছি যা আপনাদের জন্য এই পরিস্থিতিতে সহায়ক হবে।

ধাপ-১ঃ

ডেথ সার্টিফিকেট ( Death Certificate):
রোগীর মৃত্যুর পরে প্রথমেই আপনাকে হাসপাতাল থেকে ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করতে হবে। ডেথ সার্টিফিকেট সংগ্রহ করা খুবই সহজ। রোগী হাসপাতালে যে ডাক্তারের অধীনে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনিই রোগীর ডেথ সার্টিফিকেট লিখে দিবেন। হাসপাতালের এডমিনেস্ট্রেশন বিভাগ থেকে সার্টিফিকেট সংগ্রহ করে এটির ১০ টি জেরক্স কপি করে নিবেন।

ধাপ-২ঃ

পুলিশ এন.ও.সি (Police N.O.C):
ডেথ সার্টিফিকেটের অরজিনাল আর জেরক্স কপি এবং রোগীর যে কোনো একজন এটেন্ডেন্সের পাসপোর্ট ( অরজিনাল এবং জেরক্স) নিয়ে যে থানার অধীনে হাসপালে পড়েছে সেই থানায় যেতে হবে। সেখানে কথা বলে নাম, ঠিকানা ইত্যাদি তথ্য প্রদান করে পুলিশের নিকট থেকে N.O.C সংগ্রহ করতে হবে। N.O.C সংগ্রহ করতে কোন টাকা পয়সা লাগে না। কাউকে দিয়ে পাসপোর্ট বা কোন কপি পাঠাবেন না। যিনি রোগীর এটেন্ডেন্স এবং মৃতদেহ নিয়ে দেশে আসবেন তিনি নিজে স্বশরীরে থানায় উপস্থিত হবেন।

ধাপ-৩ঃ

Passport Cancellation and N.O.C:
ডেথ সার্টিফিকেট, N.O.C পেপার এবং মৃত রোগীর পাসপোর্ট এবং এটেন্ডেন্সের পাসপোর্ট ( অরজিনাল এবং জেরক্স) নিয়ে নিকটস্থ হাই কমিশনারের কার্যালয়ে চলে যেতে হবে এটেন্ডেন্সকে। হাই কমিশনারের কার্যালয় ২৪ ঘন্টা খোলা থাকে। তবে সন্ধ্যা ৬ টার পরে ফোন করলে বা উপস্থিত হলে পরের দিন সকালে যেতে বলে। মৃত ব্যক্তির পাসপোর্ট ক্যান্সেলেশনের জন্য আসছেন এটা বলবেন। তাহলে অনেক সময় ৬ টার পরেও কাজ করে দেয়। ওখানে মৃত ব্যক্তির মূল পাসপোর্টটা ক্যান্সেল করে সীল মেরে হাই কমিশনারের আরেকটি N.O.C সংগ্রহ করে নিবেন। সংগ্রহ করে এই কাগজেরও ১০ টি জেরক্স কপি করে নিবেন।

ধাপ-৪ঃ

FRO:
উপরের সব মূল কাগজ এবং তার জেরক্স নিয়ে FRO তে যেতে হবে। সেখানে গিয়ে রেজিষ্ট্রেশন করলে মোটামুটি মেডিকেল এবং আইনি কাজ সম্পন্ন হয়ে যাবে। মনে রাখবেন FRO সকাল ১০ টার আগে খুলে না। তাই ১০ টার আগে ওখানে গিয়ে কোন কাজ হবে না।

ধাপ-৫ঃ

Embalming Certificate:
ইন্ডিয়ায় অনেক সংস্থা আছে যারা মৃতদেহ প্রিজারভেশন (Preservation) এর কাজ করে থাকে। তাদের মধ্যে Peace Heaven হচ্ছে ভারতের সবচেয়ে পুরাতন সংস্থাগুলোর মধ্যে অন্যতম। বিগত ৭০ বছর ধরে তারা মৃতদেহ সংরক্ষণের কাজ করে আসছে। আর এরা সংরক্ষণের জন্য অন্যদের তুলনায় কম টাকা নিয়ে থাকে। এছাড়াও Green Ambulance সংস্থাটিও বেশ ভালোভাবে এই কাজ করে।

যে কোন একটি সংস্থায় কথা বলে সকল ফর্মালিটিস সম্পন্ন করতে হবে। ফর্মালিটিস পূরণের জন্য এখানে উপরের ৪টি কাগজ নিয়ে যেতে হবে সেখানে। অত:পর সেখান থেকে Embalming Certificate সংগ্রহ করে নিবেন। বডি প্রিজারভেশন এর জন্য এখানে নির্ধারিত পরিমাণ টাকা দিতে হয়। এক এক সংস্থায় এক এক রকম চার্জ নির্ধারণ করা থাকে। Peace Heaven সংস্থা ৭২ ঘন্টার জন্য বডি প্রিজারভেশন, কফিন এবং ১ দিনের মর্গ চার্জ হিসেব করে ১৬,২০০ রুপি নিয়ে থাকে। এছাড়া উপরের প্রসেসগুলোতে আর কোন টাকা লাগে না।

★ ইন্ডিয়া থেকে দেশে মৃতদেহ ফিরিয়ে আনতে হলে উপরে উল্লেখিত ৫ টি পেপার অবশ্যই সংগ্রহ করে সাথে রাখতে হবে। এবং সবগুলো পেপারের ৭ টি করে জেরক্স করে আলাদা আলাদা করে ৭ টি সেট তৈরি করে নিতে হবে।

মৃতদেহ যদি বাই রোডে নিয়ে আসতে চান, তাহলে এম্বুলেন্সের ড্রাইভার বা মালিকের সাথে যোগাযোগ করে ভাড়া নির্ধারণ করে নিতে হবে। এবং বিকেল ৫ টার মধ্যে যেন বর্ডারে পৌঁছানো যায় এমন সময়ে রওনা দিতে হবে। কারণ ৬ টার পরে বর্ডার বন্ধ করে দেওয়া হয়। ৫ টায় মধ্যে পৌঁছাতে না পারলে ৬ টার মধ্যে যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করে বের হয়ে আসা অত্যন্ত কঠিন হয়ে যাবে।

আর যদি বাই এয়ারে মৃতদেহ নিয়ে আসতে চান, তাহলে প্লেনের টিকিট কেটে টিকিটের একটি প্রিন্ট কপি এবং যাবতীয় কাগজ (উপরের ৫ টি পেপার) নিয়ে কার্গো বিভাগে গিয়ে কথা বলে বডি ডিস্প্যাচ করার কাগজ সংগ্রহ করে নিতে হবে। বাকি কাজ কখন কিভাবে করতে হবে তার দ্বায়িত্ব তারা নিজেই নিয়ে নিবে।

কার্গোতে মৃতদেহ আনতে কোন টাকা লাগে না। শুধুমাত্র এটেন্ডেন্ট-এর এয়ার টিকিট লাগবে। বাই রোডে কাস্টমস এবং ইমিগ্রেশনের সময় বডির জন্য কিছু টাকা খরচ করতে হয়। ইমিগ্রেশন ও কাস্টমসের সময় দেশে দেহ আনার সময় ৯০০০ রুপি জমা দিতে হয়।

গুরুত্বপূর্ণ তথ্যঃ
আমাদের দেশ থেকে যারা ইন্ডিয়ায় যারা চিকিৎসা করাতে যায়, ইন্ডিয়ায় পৌঁছে তাদের মধ্যে শতকরা ৯৯ শতাংশ মানুষ কোন হোটেল বা বাসা ভাড়া নিয়ে থাকে। ক্যান্সার চূড়ান্ত পর্যায়ে, ব্রেন টিউমার, হার্টের সমস্যা বা বড় বড় রোগে আক্রান্ত রোগীকে হোটেলে বা বাসা ভাড়া নিয়ে সেখানে না রেখে একটু বেশি টাকা খরচ করে হাসপাতালে রাখার চেষ্টা করবেন। আমাদের অনেকেই জানি না চিকিৎসা বা যে কোন কারণে অন্য দেশে গিয়ে কোন ব্যক্তি যদি সেখানের হোটেল বা বাসায় থাকা অবস্থায় মারা যায়, তাহলে পুলিস কেস এবং পোস্টমর্টেম ব্যতীত মৃতদেহ দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব নয়। আর এই প্রসেস সময় সাপেক্ষ এবং বেশ ঝামেলারও।
হাসপাতালে স্বাভাবিক মৃত্যু হলে রোগীর পোস্টমর্টেমের কোন প্রয়োজন নেই। তবে এক্সিডেন্ট বা সুইসাড জনিত কেস হলে যেখানেই থাকুক না কেন পুলিশ কেস এবং পোস্টমর্টেম করা হবে।

ই  #পাসপোর্ট ফি’র তালিকা:
04/08/2026

ই #পাসপোর্ট ফি’র তালিকা:



03/08/2026
22/07/2026

প্রিয় মহোদয়/মহোদয়া,
দুঃখের সাথে জানানো যাচ্ছে যে, নতুন করে #আরেকটি_দেশের #ভিসা_বন্ধ হয়ে গেলো বাংলাদেশীদের জন্য।

16/07/2026

UAE ভিসা আপডেট।
ভিসা চালু হয়নি....

বাংলাদেশি পাসপোর্টধারীদের জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত (UAE) টুরিস্ট ভিসা বর্তমানে বন্ধ রয়েছে। এখনো #ভিসা কার্যক্রম চালু হয়নি।
এ সময় অনেক এজেন্সি #টুরিস্ট_ভিসার নামে প্রচার বা মার্কেটিং করছে। তাই অনুরোধ, যাচাই-বাছাই ছাড়া কোনো ধরনের লেনদেন বা অর্থ প্রদান করবেন না।

ভিসা কার্যক্রম পুনরায় চালু হলে আমরা আমাদের অফিসিয়াল পেজ থেকে আপনাদের দ্রুত আপডেট জানিয়ে দেব।

Address

Chittagong

Telephone

+8801866166443

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when সিউর ট্রাভেল-Sure Travel posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to সিউর ট্রাভেল-Sure Travel:

Shortcuts

Share