Leo Club Of Dhaka TMSS

Leo Club Of Dhaka TMSS Leos are
the project of Lions Club. Generally most of Leos are meritorious, talent and humanitarian. Leo Club membership is open to young man and woman.

Lions Clubs International (LCI) is a secular service
organization with over 45,500 clubs and more than
1,368,683 members in 205 countries around the
world founded by Melvin Jones in 1917. Young people of high moral standards who wish to serve others but are not members of others service organization are eligible to become Leos. Membership is divided into two classification:



Alpha 1

2-17 Age

Omega 18-28 Age
Leo Membership Benefits

Since 1957, thousands of young people have benefited from membership in the Leo Club Program. Some of these benefits are tangible; others are intangible. Making new friends and viewing the world through another's perspective are two of the benefits of Leo service. As community volunteers, Leos develop confidence and organization skills through this hands-on experience. Leo club and district offices help young people develop these skills. The Leo District 325 A and B, Nepal invited Leo District 323 A2 from India to a Leo international exchange program. The program lasted for 10 days and allowed the Leo district participants the opportunity to exchange information, establish friendships and share ideas about their Leo districts. Another benefit of Leo club membership is experiencing teamwork. The Neoleopart's 77 Leo club, France organized a service project which organized donations of pharmaceutical items for the Baby of the Heart day. Donations were handed over to the Red Cross for distribution. In Tennesse, USA, members of the Cornersville School Leo Club helped raise money for their school by helping to run the refreshment stand at an annual football tournament. Membership in a Leo club also develops fellowship and camaraderie. One of the many activities enjoyed by the Tokai Leo Club, Republic of South Africa, is bowling. The Leos have also enjoyed attending theater events together, playing active cricket, taking hikes, and playing the Trivial Pursuit board game. As members of a worldwide organization, Leos have international benefits as well. Leos often participate in the Lions international youth camp and youth exchange programs. Leo clubs also participate in the Leo club twinning program. Recently, the Wellawatte Leos, Sri Lanka, twinned with the Ulladulla Milton Leos in Australia. Leadership Positions

There are many opportunities for Leos to accept leadership positions within a Leo club, a Leo district, or a Leo multiple district. Leadership positions within a Leo club include:

-an elected president;

-an elected vice president;

-an elected secretary;

-an elected treasurer;

-appointed members of the board of directors. Leo districts or multiple districts, offer another level of leadership positions including an elected Leo district president. Leo club activities at the district and multiple district level encourage Leos from clubs in the same territorial area to share ideas, promote the Leo Club Program, strengthen community service, focus on membership growth and expansion and offer further leadership development opportunities.

26/12/2021
23 August 2021Happy 48th Leo Foundation Day in Bangladesh. Freedom fighter, First flim maker, Founder of Leoism in Bangl...
23/08/2021

23 August 2021
Happy 48th Leo Foundation Day in Bangladesh.

Freedom fighter, First flim maker, Founder of Leoism in Bangladesh PDG Ln. Alhaj Abdul Jabbar Khan.
He organized Leoism in Bangladesh in 23 Aug 1973.



04/06/2021

হিসাবটি আমার ভাল লেগেছে। একেবারে পারফেক্ট! জীবনের সুন্দর একটি হিসাব দেখুন, বুঝুন এবং চিন্তা করুন।

যদি A, B, C, D, E, F, G, H, I, J, K, L, M, N, O, P, Q, R, S, T, U, V, W, X, Y, Z = 1, 2, 3, 4, 5, 6, 7, 8, 9, 10, 11, 12, 13, 14, 15, 16, 17, 18, 19, 20, 21, 22, 23, 24, 25, 26
অর্থাৎ A to Z এর মান যদি এমনভাবে ধরি যেখানে : A=1, B=2, C=3, D=4, E=5, F=6, G=7, H=8, I=9, J=10, K=11, L=12, M=13, N=14, O=15, P=16, Q=17, R=18, S=19, T=20, U=21, V=22, W=23, X=24, Y=25, Z=26

তাহলে,,,
তুমি যতই পরিশ্রমী হও না কেনো, তোমার পরিশ্রম তোমাকে ভালো একটা জায়গায় নিয়ে যাবে, কিন্তু শতভাগ না।
Hard Work:
H+A+R+D+W+O+R+K= 8+1+18+4+23+15+18+11=98%

তুমি যতই বিজ্ঞ হও না কেনো, কখনো কখনো তা কঠোর পরিশ্রমের চেয়ে কম সফলতা আনতে পারে।
Knowledge:
K+N+O+W+L+E+D+G+E=
11+14+15+23+12+5+4+7+5=96%

আর তুমি যদি ভাগ্যের ভরসায় বসে থাকো, তা কোনো কূলেই তোমায় ভেরাবে না।
Luck:
L+U+C+K=
12+21+3+11=47%

অর্থাৎ এদের কোনোটাই 100% করতে পারে না, তাহলে সেটা কী যা 100% করতে পারে???
Money?? না, এটা 72%
Leadership?? না, এটা 97%
তাহলে??

সব সমস্যারই সমাধান করা সম্ভব, যদি আমাদের থাকে একটা পারফেক্ট Attitude বা দৃষ্টিভঙ্গি হ্যাঁ, একমাত্র Attitude ই আমাদের জীবনকে করতে পারে 100% সফল......

A+T+T+I+T+U+D+E=
1+20+20+9+20+21+4+5=100%

সুতরাং মূলকথা দৃষ্টিভঙ্গি বদলান, জীবন বদলে যাবে।

এটা একটা নেকড়ের পালের দল বেধে চলার ছবি,এদের চলার নির্দিষ্ট ধরন আছে।প্রথমের লাল বৃত্তের তিনটা নেকড়ে হলো সবচেয়েবয়ষ্ক, অসুস...
23/07/2020

এটা একটা নেকড়ের পালের দল বেধে চলার ছবি,
এদের চলার নির্দিষ্ট ধরন আছে।

প্রথমের লাল বৃত্তের তিনটা নেকড়ে হলো সবচেয়ে
বয়ষ্ক, অসুস্থ, দুর্বল।কিন্তু তাদের অভিজ্ঞতা বেশী। তাদের সামনে দেয়া হয়েছে কারন তাদের গতি অনুযায়ী বাকি দল চলবে।

তাদের ঠিক পিছনের হলুদ দাগের পাঁচজন যারা
দলের সবচেয়ে শক্তিশালী এবং যোদ্ধা নেকড়ে।
তাদের কাজ অগ্রবর্তী দলকে সাপোর্ট দেয়া এবং
যেকোন আক্রমণ এলে সামাল দেয়া।

তাদের ঠিক পিছনে,নবীন আর কম শক্তিশালীরা
থাকে। কিন্তু মাঝের দলটাই সবচাইতে সুরক্ষিত ।
কারণ, তাদের পিছনে সবুজ চিহ্নিত দলটাও খুব
শক্তিশালী এবং যোদ্ধা নেকড়েরা। তাদের কাজ
পিছন থেকে কোন আক্রমণ এলে প্রতিরক্ষা দেয়া।

তাদের পিছনে নীল চিহ্নিত একাকী নেকড়েটাই
দলনেতা। সবার পিছনে সে আসছে। তার দ্বায়িত্ব
হলো কেউ পিছনে পড়ে যাচ্ছে কিনা, কারো কোন
সমস্যা হচ্ছে কিনা তা খেয়াল রাখা।
সেই হচ্ছে দলনেতা (Leader)

নেতাদের সবসময় সামনেই থাকতে হবে এমন নয়,
প্রয়োজনে সবার পেছনেও যেতে হয়।
Leadership ব্যাপারটা এমনই।

লিও ক্লাব কী?লিও ক্লাব হচ্ছে একটা আন্তর্জাতিক যুব সংগঠন। এটা "Lions Clubs International" এর একটা অঙ্গ সংগঠন। Leo শব্দটা ...
10/04/2019

লিও ক্লাব কী?

লিও ক্লাব হচ্ছে একটা আন্তর্জাতিক যুব সংগঠন। এটা "Lions Clubs International" এর একটা অঙ্গ সংগঠন। Leo শব্দটা Lion থেকে এসেছে। ক্লাবের প্রত্যেক সদস্য সম্মান বা উপাধি হিসেবে তাদের নামের আগে "লিও" শব্দটি ব্যবহার করেন। তাই এর মাধ্যমে কোন বংশের পরিচয় বুঝায় না, বরং এটা আন্তর্জাতিক যুব সংগঠন "লিও" ক্লাবের "সদস্য" বুঝায়। LEO শব্দটার একটা elaboration বা, motto আছে। যেখানে L= Leadership, E= Experience, O= Opportunity কে বুঝায়। এর প্রধান অফিস মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।

লায়ন্স ক্লাব কী?
লায়ন্স ক্লাব হচ্ছে বিশ্বের মানবসেবা প্রিয় ব্যক্তিদের একটা সংগঠন। যারা তাদের সম্পদের একটা অংশ সমাজে অবহেলিত এবং বঞ্চিত মানুষের সেবায় ব্যয় করে (বিল গেটস্, মার্ক জাকার্বাগ, আম্মানি, এমনকি আমাদের প্রধানমন্ত্রীও এর সদস্য)। যেমন বাংলাদেশে লায়ন্স ক্লাব স্বাস্থ্য সেবা, বিশেষ করে চক্ষু সেবা এবং ভিটামিন টিকা দেওয়ার কাজ করে। বাংলাদেশে বর্তমানে লায়ন্স ক্লাবের নামে আগারগাঁওয়ে "লায়ন্স আই হসপিটাল" নামে একটা স্বতন্ত্র হাসপাতাল আছে। তাছাড়া পোলিও টিকা ক্যাম্পেইনেও লায়ন্স ক্লাবের ভূমিকা আছে। এটা ১৯১৭ সালে যুক্তরাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত হয়, সদর দপ্তর যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থিত।

লিও প্রতিষ্ঠিত হয় কিভাবে?
আজ থেকে প্রায় ৫৯ বছর পূর্বে ১৯৫৭ সালে আমেরিকার পেলসেলভিনিয়া অঙ্গরাজ্যের মাল্টিপল জেলা-১৪ এর অন্তর্গত সাব-ডিসট্রিক্ট-১৪ এর অধীনে এভিংটন স্কুলের বাস্কেটবল টিমকে নিয়ে "এভিংটন স্কুল লিও ক্লাব" নামে লায়ন জিম গ্রাভারের মাধ্যমে বিশ্বের প্রথম লিও ক্লাব প্রতিষ্ঠা করা হয়। যার অভিভাবক লায়ন্স ক্লাব হিসেবে ছিল "গ্লেন-সাইড লায়ন্স ক্লাব"।
আর বাংলাদেশে লিও ক্লাবের যাত্রা শুরু হয় ১৯৭৩ সালে "কমলাপুর লিও ক্লাব" প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে। যার স্পন্সর লায়ন্স ক্লাব ছিল "ধানমন্ডি লায়ন্স ক্লাব"। লিও ক্লাব অব ঢাকা গেন্ডারিয়া বাংলাদেশের দ্বিতীয় লিও ক্লাব, যা প্রতিষ্টিত হয়েছে ১৯৭৪ সালের ১৯শে জুন ।
প্রত্যেকটা লিও ক্লাবেরই একটা স্পন্সর লায়ন্স ক্লাব থাকে। যেমন "লিও ক্লাব অব ঢাকা কিংস স্টার" এর স্পন্সর লায়ন্স ক্লাব হচ্ছে "লায়ন্স ক্লাব অব ঢাকা কিংস"। বর্তমানে প্রায় ৬,০০০টি লিও ক্লাব, এবং প্রায় ২,০০০০০ জন লিও, লায়ন্স ক্লাবের সাথে বিশ্বের প্রায় ২১০ টি দেশে কাজ করছে। যেখানে লিও ক্লাবের সংখ্যায় বাংলাদেশ বিশ্বে সপ্তম স্থানে আছে।

লিওদের কাজ কী?
লায়ন্স ক্লাবের সদস্যদের বয়স ত্রিশের বেশি হয়। তারা সাধারনত ব্যস্ততার জন্য সব সময় সরাসরি মাঠে কাজ করতে পারে না। তাই তারা তাদের কাজে যুব সমাজকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য লিও ক্লাব প্রতিষ্ঠা করে। সেদিক থেকে লিও ক্লাব গুলো লায়ন্স ক্লাবের সহযোগী হিসেবে বিভিন্ন রকম সমাজ সেবা মূলক কাজ করে থাকে । তবে, সময়ের সাথে সাথে লিও ক্লাব গুলো কিছুটা আন্ত নির্ভর এবং স্বায়ত্বশাসিত হয়েছে। ফলে লায়ন্স ক্লাব গুলোর বাহিরেও লিও ক্লাব গুলো কিছু কাজ করে থাকে। যেমন - বৃক্ষ রোপণ, রক্তদান, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ( দাঁত পরীক্ষা, ডায়াবেটিক, রক্তের গ্রুপ পরীক্ষা, সাধারণ রোগী দেখা, রোগের চিকিৎসা ইত্যাদি), স্কুলে বাচ্চাদের স্বাস্থ্য সচেতন করার জন্য ক্যাম্পেইন করা। পথ শিশুদের জন্য কাজ করা ( যেমন পড়ানো, কাপড় দেওয়া, খাবার ব্যবস্থা, কাজের ব্যবস্থা করা) ঠিকা খাওয়ানো (ভিটামিন, কৃমিনাশক), সন্ত্রাস ও মাদক বিরুধী সভা - সেমিনার। প্রাকৃতিক দুর্যোগের সময় ত্রাণ সহায়তা সহ অন্যান্য সাহায্য সহযোগিতা করা। এছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক কাজ লিও ক্লাব করে থাকে। এবং এগুলোর অধিকাংশই লায়ন্স ক্লাব গুলো স্পন্সর করে থাকে।

আমরা কিভাবে উপকৃত হই !
প্রথমেই যে কথাটা বলা উচিত সেটা হল, লায়ন্স ক্লাব প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল মূলত তাদের সম্পদের একটা অংশ দিয়ে সমাজের অবহেলিত মানুষের সেবা করার জন্য। আর লিও ক্লাব গুলোও এই একই আদর্শে গড়া। আমরা সমাজের শিক্ষিত এবং সচেতন যুবক। আমরা সমাজের অধিকাংশের তুলনায় মোটামুটি সুবিধাজনক একটা অবস্থায় আছি। আর এরকম একটা অবস্থায় থেকে সমাজের জন্য ভাবা এবং ভাল কিছু করা আমাদের কর্তব্য। আর সব সময় লাভের চিন্তা করে অন্য কিছু হলেও অন্ততপক্ষে সমাজ সেবা হবে না। তাছাড়া সমাজের জন্য সেচ্ছাসেবী হিসেবে কাজ করার ক্ষেত্রে নিজের লাভের কথা চিন্তা না করাই ভাল।
তবে, এখানে আপনার কিছুটা হলেও লাভ আছে। প্রথমত, আপনি সমাজের জন্য যে কাজটা করতেন তা লিও ক্লাবের সদস্য হিসেবে করলে একটা আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাবেন। দ্বিতীয়ত, আপনার নেতৃত্বগুণ, অন্যের সাথে কথা বলা, যোগাযোগ করার গুণাগুণ গুলো অর্জন করতে পারবেন। তৃতীয়ত, দেশের সবচেয়ে সেবা প্রাণ মানুষগুলি এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে আপনার যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে। (যেমন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী, অনেক মন্ত্রী, এমপি, সহ অনেকে লায়ন্স ক্লাবের সদস্য)
চতুর্থত, আপনি বাংলাদেশ লায়ন্স ক্লাব এবং ইন্টারন্যাশনাল লায়ন্স ক্লাব থেকে সদস্য সনদ পাবেন। সেখানে সারাবিশ্বে আপনার একটা স্বতন্ত্র কোড নাম্বার থাকবে।
পঞ্চমত, আপনি বিদেশে পড়াশোনা করতে গেলে আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্য হিসেবে আপনার প্রোফাইলকে সমৃদ্ধ করবে (extra curriculum activities)। কারন বিশ্বে লায়ন্স ক্লাব এবং লিও ক্লাবের গুরুত্ব এবং সম্মান অনেক বেশি (এলিট এবং ভিআইপি ক্লাব হিসেবে এর অনেক পরিচয়) সর্বোপরি, সমাজের সাথে আপনার যোগাযোগ বৃদ্ধি পাবে।

সদস্য কিভাবে হতে হয়?
লিওদের দুইটা ক্যাটাগরি আছে ওমেগা আর আলফা। আলফা বলা হয় যাদের বয়স ১২ থেকে ১৮ বছর। আর ওমেগা ১৮ থেকে ৩০ বছর বয়সিদের বলা হয়।

আন্তর্জাতিক নিয়ম অনুসারে লিও ক্লাবের সদস্য হতে হয়। তবে সেটা কিছুটা কঠিন এবং ব্যয়বহুল হওয়ায় বাংলাদেশে লায়ন্স ক্লাব এর স্পনসরিং এ সদস্য করা হয়। তবে এক্ষেত্রে সদস্য সনদ পেতে কমপক্ষে ৬ মাস সময় লাগে।

তাই আমরা যাদের ক্লাব সদস্য করে থাকি, প্রত্যেকটা ক্ষেত্রেই একজন সদস্য আন্তর্জাতিক সদস্য সনদ, লিও পিন ও কাজ, সেমিনারের উপর ভিত্তি করে সকল জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি ও সনদ পাবে।

তাই আজই লিও ক্লাবের সদস্য হোন।

Fahim Shahriar
31/01/2019

Fahim Shahriar

Abir Ahmed Fahim Shahriar Md Kamrul Hasan
31/01/2019

Abir Ahmed Fahim Shahriar Md Kamrul Hasan

Abir Ahmed
30/01/2019

Abir Ahmed

😜

lol :D
30/01/2019

lol :D

😰

3rd position ( Silver Category) in over all district of October Service Bi-Week 2017 activities.
31/10/2017

3rd position ( Silver Category) in over all district of October Service Bi-Week 2017 activities.

GRAND RALLY on DG'S CALL "WE SERVE" organised by Lions Club of TMSS Bangladesh.Date: 06 October, 2017.Venue: Manik Mia A...
14/10/2017

GRAND RALLY on DG'S CALL "WE SERVE" organised by Lions Club of TMSS Bangladesh.

Date: 06 October, 2017.
Venue: Manik Mia Avenew to Agargoan, Dhaka.

Address

TMSS Foundation Office, Rangpur Road
Bogra
5800

Telephone

+8801711112942

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Leo Club Of Dhaka TMSS posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Business

Send a message to Leo Club Of Dhaka TMSS:

Share